ভারতের ভূ – প্রকৃতি Important for WBCS, SSC, RAIL & Others govt. exam

ভারতের ভূ – প্রকৃতি বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন । ভূ-প্রকৃতির গঠন ও ভূপৃষ্ঠের বিভিন্ন বৈশিষ্টের পার্থক্য অনুযায়ী ভারতের ভূ-প্রকৃতিকে চার ভাগে ভাগ করা যায় ।
(i) হিমালয় পর্বত শ্রেণি : পৃথিবীর নবীনতম ভঙ্গিল পর্বত হিমালয় ভারতের উত্তর , উত্তর – পশ্চিম এবং উত্তর – পূর্ব দিক জুড়ে অবস্থিত । এটি পশ্চিমে পামীর থেকে পূর্বে অরুণাচলপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত । হিমালয় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণিতে বিভক্ত – হিমাদ্রি , হিমাচল এবং শিবালিক যা 2400 কিমি দৈৰ্ঘ বিশিষ্ট ও 240 থেকে 320 কিমি প্রশস্ত ।
( a ) উচ্চ হিমালয় বা হিমাদ্রি — প্রায় 600 মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট ও তিনটি উচ্চতম শৃঙ্গ নিয়ে গঠিত । যথা মাউন্ট এভারেস্ট ( 8848 মিঃ ) K2 বা গডউইন অস্টিন ( 8611 মিঃ ) এবং কাঞ্চনজঙ্গা ( 8598 মিঃ ) এই অঞ্চলের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গিরিপথ হল — শিপকিলা , জেলেপলা ও নাথুলা ।

(b ) নিম্ন হিমালয় বা হিমাচল — প্রায় 1500 থেকে 5000 মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট্য এবং উচ্চ হিমালয়ের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত । এটি অনেকগুলি সমান্তরাল পর্বতশ্রেণি বিশিষ্ট অংশ । তার মধ্যে পিরপাঞ্জল দীর্ঘতম ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । এছাড়াও আছে ধৌলাধর ও মহাভারত পর্বতশ্রেণি

( c ) দক্ষিণাত্য হিমালয় বা বহিঃস্থ হিমালয়া — প্রায় 900 মিঃ থেকে 1200 মিঃ উচ্চতা সম্পন্ন এবং নিম্ন হিমালয় ও সিন্ধু – গাঙ্গেয় সমতল এর মধ্যে অবস্থিত । নিম্ন হিমালয় ও শিবালিকের মধ্যে অবস্থিত অনুদৈর্ঘ্য উপত্যকা দুন নামে পরিচিত । দেহরাদুন , কোতলিদুন এবং পাটলিদুন হল কিছু উল্লেখযােগ্য দুন অঞ্চল ।


(ii) সিন্ধু গাঙ্গেয় সমভূমি বা উত্তর সমভূমি : গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র নদী উপত্যকা নিয়ে গঠিত এবং 2400 কিমি দৈর্ঘ্য ও 240 থেকে 320 কিমি প্রস্থ বিশিষ্ট । এই সমভূমি অঞ্চল ভারতের তিন ভাগের এক ভাগ ভূ – পৃষ্ঠ দখল করে অবস্থিত । এই সমভূমি দুটি ভাগে বিভক্ত । ( a ) উচ্চ সমভূমি অঞ্চল , যা বন্যা প্রবণ অঞ্চলের উপরে অবস্থিত ও পলি মাটি দিয়ে গঠিত । এই অঞ্চলটি পৃথিবীর অতি উর্বর অঞ্চলগুলির মধ্যে একটি । ( b ) নিম্ন সমভূমি , যা বন্যার দ্বারা প্লাবিত ।

(iii) দাক্ষিণাত্য মালভূমি : উত্তর সমভূমি অঞ্চলের দক্ষিণে অবস্থিত । এই অঞ্চলের দুপাশে অবস্থিত পূর্ব এবং পশ্চিমঘাট পর্বত ভৌগোলিকভাবে এই অংশ ভারতে প্রাচীনতম অঞ্চল ।এটি গণ্ডয়ানা ভূ-প্রকৃতির একটা অংশ যা পৃথিবী সৃষ্টির গােড়ার সময় থেকে ছিল । এটি পেনিনসুলার মালভূমি নামেও পরিচিত ।উচ্চতম দাক্ষিণাত্য শিখর 2500 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত । যার মধ্যে নীলগিরি পর্বত অন্তর্ভুক্ত ।

আরাবল্লি ও দাক্ষিণাত্য মালভূমি :

( a ) আরাবল্লি -এটি ভারতের প্রাচীনতম পর্বত , এর উচ্চতম শৃঙ্গ হল মাউন্ট আবুর গুরুশিখর গুজরাট সীমানার কাছে অবস্থিত ।
( b ) বিন্ধ্য পর্বতশ্রেণি – ভারতের উত্তরাংশ থেকে দক্ষিণাংশকে আলাদা করে এই পর্বত ।এই পর্বত 1050 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর গড় উচ্চতা প্রায় 3000 মি .।
( c ) সাতপুরা পর্বতশ্রেণি – নর্মদা ও তাপ্তি নদীর মধ্যে অবস্থিত ।এটি অনেকগুলি শৃঙ্গ নিয়ে 900 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত এবং প্রায় 1000 মিটার উচ্চ ।
( d ) পশ্চিমঘাট পর্বত — ভারতের দাক্ষিণাত্য পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত এবং এটি সংকীর্ণ উপকূলবর্তী সমভূমিকে আরবসাগর থেকে আলাদা করে ।এটি 1600 কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এর গড় উচ্চতা 915 থেকে 1220 মিটার ।
( e ) পূর্বঘাট পর্বত – এটি পশ্চিমঘাট পর্বতের মত উচ্চ না হলেও , এর কয়েকটি শৃঙ্গ 1000 মিটার পর্যন্ত উচ্চ ।এর গড় উচ্চতা 610 মিটার ।পূর্বঘাট ও পশ্চিমঘাটের ঠিক সংযােগস্থলে অবস্থিত তামিলনাড়ুর নীলগিরি পর্বত ।
(iv) উপকূলবর্তী সমতল : পশ্চিম উপকূলবর্তী সমতলের উত্তরাংশ ‘ কোঙ্কন ‘ এবং দক্ষিণাংশ ‘ মালাবার’ উপকুল নামে পরিচিত ।পূর্ব উপকূলবর্তী অংশ করমণ্ডল উপকূল নামে পরিচিত
( a ) পশ্চিম উপকূল — এটি উত্তরে আরব সাগর এবং পশ্চিমঘাটের মধ্যে গুজরাটের কচ্ছ উপকুল থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারী অন্তরীপ পর্যন্ত বিস্তৃত ।এটি পর্যন্ত 1500 কিমি দীর্ঘ এবং মালাবার উপকূল , কর্ণাটকা উপকূল , কোঙ্কন উপকূল , মহারাষ্ট্র উপকূল ও গুজরাট উপকূলে বিভক্ত ।
( b ) পূর্ব উপকূল — এটি দক্ষিণে কন্যাকুমারী থেকে উত্তরে গঙ্গা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ।পূর্ব উপকূল বঙ্গোপসাগর ও পূর্বঘাট পর্বতের মধ্যে অবস্থিত । মহানদী , গােদাবরী , কৃষ্ণা এবং কাবেরী নদীর ব – দ্বীপ অঞ্চল পূর্ব উপকূলের অন্তর্ভুক্ত ।এটি উত্তরে উৎকল উপকূল এবং দক্ষিণে করমণ্ডল উপকূলের মধ্যে বিভক্ত ।

ইউরোপ মহাদেশ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

PREPARE YOURSELF / geography /মহাদেশ পরিচিতি


**ইউরোপ মহাদেশের আয়তন : ৯৯ লাখ ৩৮ হাজার বর্গ কিলোমিটার (পূর্ব-পশ্চিমে দৈর্ঘ্য ৬,৪০০ কিলোমিটার এবং উত্তর-দক্ষিণে ৪৮০০ কিলোমিটার)।
**পৃথিবীর মোট আয়তনের শতাংশ ইউরোপ : ৬.৮ শতাংশ।
**ইউরোপ মহাদেশের জনসংখ্যা : ৭৩ কোটি ২২ লাখ
**আয়তনে ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম দেশের নাম : রাশিয়া।
**জনসংখ্যায় ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম দেশ : রাশিয়া; ১৪ কোটি ৯ লাখ।
**আয়তনে ইউরোপ মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ : ভ্যাটিকান সিটি।
**জনসংখ্যায় ইউরোপ মহাদেশের ক্ষুদ্রতম দেশ : ভ্যাটিকান সিটি (৯২০ জন; মে ২০১০)।
**ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম উপদ্বীপ : স্ক্যান্ডিনেভিয়া।
**ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ : গ্রিনল্যান্ড।
**ইউরোপ মহাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু : মাউন্ট এলব্রাস।
**ইউরোপ মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু : কাষ্পিয়ান সাগর।
**ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম সাগরের নাম : ভূমধ্যসাগর।
**ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম হ্রদ : লাডোগা হ্রদ।
**ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম পর্বতমালা : আল্পস।
**ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদীর নাম : ভলগা। **ইউরোপ মহাদেশের বৃহত্তম সমভূমি : মধ্য ইউরোপের বিস্তীর্ণ সমভূমি।
**ইউরোপের দ্বার বলা হয় শহরকে : ভিয়েনা।
**ইউরোপের বৃহত্তম সুড়ঙ্গপথের নাম : চ্যানেল টানেল।
**ইউরোপের ককপিট বলা হয় বেলজিয়াম দেশকে।
**ইউরোপ মহাদেশের স্বাধী দেশ : ৪৮টি।

বিভিন্ন রাজ্যের প্রাদেশিক নৃত্য Important for WBCS, SSC, RAIL & Others govt. exam

1.পশ্চিমবঙ্গের প্রচলিত নৃত্য  – ছৌ , যাত্রা , কাঠি , গম্ভীরা , ঢালি , মহল , কীর্তন ।

2. জম্মু ও কাশ্মীরের প্রচলিত নৃত্য – রাউফ , হিকাট , চাকরী , কুদডান্ডি নাচ , ডামালি , হেমিসগাম্পা ।

3. বিহারের প্রচলিত নৃত্য- যাতাযতীন , বিদেশিয়া ।

4. ওড়িশার প্রচলিত নৃত্য – ডালখই , ডান্ডনাটে , ঘুমরা , রনপা , ছাডায়া , ওড়িশি , সাভারি , বাহাকাওয়াটা ।

5.মিজোরামের প্রচলিত নৃত্য – চিরাও , বাঁশ নৃত্য , লাম , কুয়াল্লাম , চেরোকান ।

6. মণিপুরের প্রচলিত নৃত্য – মহারাসসা , মণিপুরি , কাবুই ।

৭। উত্তরপ্রদেশের প্রচলিত নৃত্যগুলি কি কি – কত্থক , চাপ্পেলী , রাসলীলা , নওটাংকি , করণ , জইতা , কাজরী , কুমাওন ।

৮। অন্ধ্রপ্রদেশের প্রচলিত নৃত্য- থিভাগবাথাম , ওট্টম থেডাল , কুচিপুডি , কোট্টাম , মোহিনীআট্টাম ।

৯। মধ্যপ্রদেশের প্রচলিত নৃত্য- পান্ডভানী , মাচা , লোটা

১০ । পাঞ্জাবের প্রচলিত নৃত্য – গিড্ডা , ভাংড়া , ধামান , ডাফ ।

১১। হরিয়ানার প্রচলিত নৃত্য –  ঝুমুর , সয়াংগ , লুর , গাগর , খোর ।

১২। মেঘালয়ের প্রচলিত নৃত্য – নংক্রেম , লাহো ।

১৩। হিমাচল্প্রদেশের প্রচলিত নৃত্য – মুঞ্জরা , গিড্ডা পারহাউন , কায়াঙ্গা ।

১৪ । গুজরাটের প্রচলিত নৃত্য – টিপ্পানি , ডান্ডিয়ারাস , গারবা , রাসিলা , ভাবাই , গরমা ।

১৫ । তামিলনাড়ুর প্রচলিত নৃত্য – ভরতনাট্টম , কোলাট্টাম , কুম্মি , থেরুকোট্টু , তেরাতলি , কারাগাম , কাভাডি ।

১৬ । গোয়ার প্রচলিত নৃত্য – ফুগডি , ঢালো , ডেকানি , মান্ডো , কুম্বি ।

১৭। মহারাষ্ট্রের প্রচলিত নৃত্য – তামাশা , দাহিকালা , লেজিম , লাবনী , কোলি , গাফা , নাকাতা ।

১৮ । কর্ণাটকের প্রচলিত নৃত্য – ইয়কসোগানা , সুজ্ঞি , করগা , লাম্বি , কুনিথা ।

১৯। অসমের প্রচলিত নৃত্য – বিহু , ওংকিয়ানাট , নাটপূজা , কোঙ্গালি , তাবাল চোঙ্গলি , বাগুরুম্বা ।

২০। কেরলের প্রচলিত নৃত্য – ওপান্না , কথাকলি , চাকিয়ারকুথু , ওট্টাম থুল্লাল , মোহিনীঅট্টম , চাতিট্টি নাথাকাম , কাইকোট্টী কাল্লি , থেইয়াম , কোডীয়াট্টাম , মুডিভেট্টু , তুল্লাল , তাপ্পাত্রীকালি , কৃষ্ণানাট্টাম ।

২১। রাজস্থানের প্রচলিত নৃত্য – গানগোর , চামার গিনাদ , ঝুলনলীলা , কায়ান গা বাজাভাঙ্গা , খাইয়াল , ভাবাই , ঘুমর , পানিহারি , ছারি , ঝুমা , সুইসিনি , কাচ্চি গোরি ।

২২। ত্রিপুরার প্রচলিত নৃত্য – গরিয়া , ঝুম , বিজু , চের , হাই-হক , ওয়াঙ্গালা

সম্রাট আশোক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য Important for WBCS, SSC, RAIL & Others govt. exam

অশোক ভারতের মৌর্য রাজবংশের তৃতীয় সম্রাট। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০৪ অব্দে জন্মগ্রহণ করেন। সম্রাট বিন্দুসার-এর ঔরসে রানি ধর্মা (মতান্তরে সুভদ্রাঙ্গির) গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন। উত্তর-ভারতের কিম্বদন্তী অনুসারে চম্পাদেশীয় রাজকন্যা ‘সুভদ্রাঙ্গী’ ছিলেন অশোকের মা। আর দক্ষিণ ভারতীয় কিম্বদন্তী অনুসারে তাঁর মায়ের নাম ছিল ধর্মা ।  তাঁর চারজন স্ত্রীর নাম পাওয়া যায়। এঁরা হলেন- তিশ্যারাক্ষ, পদ্মবতী, কারুভাকী, বিদিশা

মাত্র ১৮ বৎসর বয়সে বিন্দুসার তাঁকে উজ্জ্বয়িনীর শাসনকর্তা নিয়োগ করেন। তক্ষশীলাবাসি রাজশক্তির অত্যাচরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলে,তক্ষশীলায় বিদ্রোহ শুরু হলে বিন্দুসার বিদ্রোহ দমনের জন্য তাঁকে তক্ষশীলায় পাঠান। অশোক এই বিদ্রোহ দমন করতে সক্ষম হলে,  তক্ষশীলার শাসনভার লাভ করেন।  এই সময় তিনি মহাদেবীকে বিবাহ করেন।

বিন্দুসার-এরঅসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁর পুত্রদের মধ্যে সিংহাসনের দখল নিয়ে রক্তাক্ত দ্বন্দ্ব শুরু হ্য়। বৌদ্ধ কিম্বদন্তী অনুসারে জানা যায়, বিন্দুসারের স্ত্রীর সংখ্যা ছিল ১৬টি এবং পুত্রের সংখ্যা ছিল ১০১টি। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র অশোক অন্যান্য ভাইদের পরাজিত ও হত্যা করে সিংহাসন দখল করেছিলেন। সিংহলীয় উপাখ্যানসমূহে পাওয়া যায়, তিনি তাঁর ৯৮জন ভাইকে হত্যা করেছিলেন। এই জন্য তাঁকে চণ্ডশোক বলা হয়েছে। সিংহাসন দখলের পর, ‘দেবানাম-প্রিয়-পিয়দাসী’ অর্থাৎ ‘দেবতাদের প্রিয় প্রিয়দর্শী‘ উপাধি ধারণ করেন। ধারণা করা হয় তিনি খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৩ অব্দের দিকে সিংহাসন লাভ করেছিলেন। কিন্তু তাঁর সম্রাট হিসেবে অভিষেক হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ২৬৯ অব্দের দিকে।

খ্রিষ্টপূর্ব ২৬০-৬৩ অব্দের দিকে তিনি কলিঙ্গ রাজ্য জয় করেন। এই যুদ্ধে কলিঙ্গবাসী সর্বশক্তি দিয়ে অশোককের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পরও কলিঙ্গবাসী পরাজিত হয়। এই যুদ্ধে এক লক্ষ নরনারী প্রাণ হারায় এবং প্রায় দেড়লক্ষ নরনারী বন্দী হয়। এই যুদ্ধের এই বীভৎসতা সম্রাট অশোককে বিষাদগ্রস্থ করে তোলে। পরে তিনি যুদ্ধের পথত্যাগ অহিংসার পথে সাম্রাজ্য পরিচালনের নীতি গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ক্রমে ক্রমে বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি বিশেষভাবে আসক্ত হয়ে পড়েন এবং উপগুপ্ত নামক এক বৌদ্ধ সন্ন্যাসীর কাছে দীক্ষা নিয়ে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে তিনি অহিংসা নীতি গ্রহণ করেন। তিনি তাঁর গুরু উপগুপ্তকে সাথে নিয়ে কপিলাবস্তু, লুম্বিনী, কুশীনগর, বুদ্ধগয়া-সহ নানা স্থানে ভ্রমণ করেন এবং বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার করেন। এই সময় তিনি নানা স্থানে স্তূপ, স্তম্ভ এবং পাহাড়ের গায়ে বুদ্ধের বাণী লিপিবদ্ধ করে রাখার ব্যবস্থা করেন। জনকল্যাণের জন্য তিনি বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। জলকষ্ট দূরীকরণের জন্য রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে জলাশয় তৈরি করে দেন। অশোকের এই অহিংস নীতির কারণে, তাঁর সাথে প্রতিবেশী রাজ্য এবং গ্রিকদের সাথে বিশেষ সখ্যতা গড়ে উঠে। তিনি সিরিয়া, মিশর, এপিরাস, সিংহল, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, নেপাল প্রভৃতি দেশে বৌদ্ধধর্ম প্রচারের জন্য প্রতিনিধি পাঠান।

খ্রিষ্টপূর্ব  ২৩২ অব্দে সম্রাট অশোক মৃত্যুবরণ করেন। তিব্বতীয় কিম্বদন্তী অনুসারে জানা যায় তিনি তক্ষশীলায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন।

অশোকের ধর্মনীতি ও ধর্ম প্রচার
অশোক বৌদ্ধ এবং জৈন ধর্মের অনুরাগী ছিলেন। তবে তাঁর ধর্ম প্রচারণা এবং জীবনাদর্শ বৌদ্ধ ধর্ম প্রাধান্য পেয়েছিল। অশোক বিহারযাত্রার পরিবর্তে ধর্মযাত্রার প্রচলন করেছিলেন। তীর্থযাত্রার সাথে তিনি যুক্ত করেছিলেন শ্রমণদের উপহার দান, বুদ্ধের বাণী প্রচার এবং নানাবিধ উপদেশের মধ্য দিয়ে মানুষকে ধর্মভাবাপন্ন করার কার্যক্রম। সাধারণ মানুষকে বৌদ্ধ ধর্মে উদ্বুদ্ধ করার জন্য তিনি রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে  (পাহাড়ের গায়ে, পাথরের স্তম্ভে, পর্বতগুহায়) বুদ্ধের বাণী এবং উপদেশ লিপিবদ্ধ করেছিলেন। ধর্মীয় প্রচারের জন্য তিনি রাজুক, যুত এবং মহাপাত্র নামক পদের সৃষ্টি করেছিলেন। এঁরা অশোকের ধর্মনীতিকে প্রচার করতেন। এছাড়া রাজকর্মচারীদের দ্বারা সাধারণ মানুষ যাতে নিগৃহীত না হয়, তার জন্য ধর্মমহাপাত্র নামক কর্মচারী নিয়োগ করেছিলেন।

বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সংহতি স্থাপনের জন্য এবং বৌদ্ধ সংঘসমূহের ভিতরে আন্তসম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য পাটালিপুত্র নগরে একটি বৌদ্ধ-সংগীতি (তৃতীয়-সংগীতি) আহ্বান করেন। বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারের জন্য তিনি রাজপুত্র মহেন্দ্রকে সিংহল দ্বীপে পাঠিয়েছিলেন।

অশোকলিপি
অশোক নানারকমের বাণী পাহাড়ের গায়ে, পাথরের স্তম্ভে, পর্বতগুহায় লিপিবদ্ধ করে রাখার ব্যবস্থা করেন। যে সকল লিপিতে এই বাণী লেখা হয়েছিল, সে সকল লিপিকে সাধারণভাবে অশোকলিপি বলা হয়। এই সকল বাণী লেখা হয়েছিল ব্রাহ্মী লিপি ও খরোষ্ঠী লিপিতে। অবশ্য ব্রাহ্মী লিপির আদিপাঠগুলো সম্রাট অশোকের নির্দেশে স্থাপিত হয়েছিল বলে,অনেকে এই লিপিকে অশোকলিপি নামে অভিহিত করেছেন। আবার অশোক ছিলেন মৌর্যবংশীয় রাজা। খ্রিষ্টপূর্ব ১৮৭ বা ১৮৫ অব্দে, মৌর্যবংশীয় শেষ রাজা বৃহদ্রথকে তাঁর সেনাপতি পুষ্যামিত্র শুঙ্গ হত্যা করে মৌর্য সিংহাসন দখল করেন।  মৌর্যবংশীয় রাজাদের সময়ে প্রচলিত ব্রাহ্মীলিপিকে মৌর্যলিপি বলা হয়। ভাষা বিজ্ঞানীরা খ্রিষ্টপূর্ব প্রথম শতাব্দীকে মৌর্যলিপির সময় সীমা ধরে থাকেন।

অশোকস্তম্ভ ও অশোকচক্র
চারটি সিংহের মুখযুক্ত একটি একক মূর্তি। এই সিংহ চারটির পশ্চাৎ অংশ যুক্ত থাকে এবং মুখগুলো চারটি দিকেনির্দেশ করে। এর ফলে যে কোন দিক থেকে তিনটি সিংহের মুখ একবারে দেখা যায়। এই চারটি সংযুক্ত সিংহমূর্তি একটি একটি উল্টানো পদ্মফুলের উপরে বেদীটি স্থাপিত থাকে। এই বেদীর পার্শ্ব বরাবর খোদিত আছে চারটি প্রাণীর রিলিফ মূর্তি। এই প্রাণীগুলো হলো― একটা হাতি, একটি দৌড়ানো ঘোড়া, একটা ষাঁড় এবং একটি সিংহ। এই চারটা জন্তুর মাঝে রয়েছে একটি করে চক্র। এই চক্রকে বলা হয় অশোক চক্র বা ধর্ম চক্র

অশোক চক্রের কেন্দ্র থেকে ২৪টি শলাকা, সাইকেলের চাকার মতো এর ছড়ানো। তবে এই শলাকাগুলো এর পরিধির সাথে যুক্ত থাকে না। এর শলাকাগুলো ২৪টি বিষয়ের প্রতীক হিসেবে নির্দেশিত হয়।

বৌদ্ধধর্মগ্রন্থ সুত্তা নিপোতায় বলা হয়েছে― শাক্যদের একটি গ্রাম লুম্বিনিয়া জনপদে গৌতম বুদ্ধ জন্ম হয়। বৌদ্ধ পুরাণ অনুযায়ী গৌতম বুদ্ধের মা মায়াদেবী শাক্য রাজধানী কপিলাবস্তু থেকে তার পৈতৃক বাসগৃহে যাচ্ছিলেন । পথিমধ্যে লুম্বিনি বনে একটি শালগাছের নিচে গৌতম বুদ্ধের জন্ম হয়। বুদ্ধের জন্মের আগে মায়াদেবী এখানে একটি দীঘিতে স্নান করেন।সিদ্ধার্থ গৌতমকেও জন্মের পর এই দীঘিতে স্নান করানো হয়। পরে এখানে মায়াদেবী মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। এই মন্দিরের একটি স্থানকে গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি অনুরক্ত হয়ে অশোক এই তীর্থভূমি পরিদর্শনে এসেছিলেন। অশোকের আগমনের স্মারক হিসেবে এখানে একটি অশোক স্তম্ভ স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে অশোক স্তম্ভকে কেন্দ্র করেই এই ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক স্থানটি পুনরাবিষ্কার করা হয়। ষষ্ঠ শতকে বিখ্যাত চীনা সন্ন্যাসী ও পর্যটক ফা হিয়েন ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শনের সময় কপিলাবস্তু ও লুম্বিনিতে আসেন। তিনি তাঁর সুবিখ্যাত ভ্রমণকাহিনীতে সম্রাট অশোকের স্মারক স্তম্ভের বর্ণনা দেন এবং গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান হিসেবে লুম্বিনির উল্লেখ করেন।  ১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে নেপালের তৎকালীন শাসক খাদগা সোমেশ্বর রানার উদ্যোগে নেপালী প্রত্নতত্ববিদরা ফা হিয়েনের ভ্রমণকাহিনী,বৌদ্ধপুরাণ ও ইতিহাসগ্রন্থ সুত্ত নিপোতা,বৌদ্ধ ইতিহাস গ্রন্থ মহাবংশসহ অন্যান্য গ্রন্থ এবং বিভিন্ন প্রত্নতাত্বিক নিদর্শনের সাহায্যে অশোক স্তম্ভটি খুঁজে বের করেন। আর এর মাধ্যমেই গৌতম বুদ্ধের জন্ম স্থানটি নির্দেশ করা সম্ভব হয়। এছাড়া ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও অনেক অশোক স্তম্ভ আবিষ্কৃত হয়েছে। বর্তমানে অশোকস্তম্ভকে ভারত প্রজতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য অশোক তাঁর বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী স্ত্রী বিদিশার পরামর্শে সারনাথে গৌতম বুদ্ধের দীক্ষাস্থলকে স্মরণী করে রাখার জন্য একটি স্তম্ভ স্থাপন করেন। ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে পুরাতত্ত্ব বিভাগের খনন কার্যের সময় এই অশোকস্তম্ভটি উদ্ধার করা হয়। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে ভারত সরকার এই স্তম্ভের চিত্রকেকে রাজকীয় প্রতীক হিসেবে গ্রহণ করেছে। মূল সারনাথ যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে। এর উচ্চতা ২ মিটার।

Indian National parks State wise WBCS,RAIL,SSC & Others Govt. Exams

Jammu and Kashmir

1.Dachigam National Park

2.Hemis National Park

3.Kishtwar National Park

4.Salim Ali National Park

Himachal Pradesh

1.Pin Valley National Park

2.Great Himalayan National Park

3.Inderkilla National Park

4.Khirganga National Park

5.Simbalbara National Park

Haryana

1.Kalesar National Park

2.Sultanpur National Park

Uttarakhand

1.Gangotri National Park

2.Govind Pashu Vihar National Park

3.Jim Corbett National Park

4.Nanda Devi National Park

5.Rajaji National Park

6.Valley of Flowers National Park

Uttar Pradesh

1.Dudhwa National Park

Bihar

1.Valmiki National Park

Jharkhand

1.Betla National Park

2.Hazaribagh National Park

West Bengal

1.Gorumara National Park

2.Buxa National Park

3.Neora Valley National Park

4.Singalila National Park

5.Jaldapara National Park

6.Sundarbans National Park

Madhya Pradesh

1.Bandhavgarh National Park

2.Kanha National Park

3.Madhav National Park

4.Mandla Plant Fossils National Park

5.Omkareshwar National Park

6.Panna National Park

7.Pench (Priyadarshini) National Park

8.Sanjay National Park

9.Satpura National Park

10.Van Vihar National Park

Gujarat

1.Blackbuck National Park, Velavadar

2.Gir Forest National Park

3.Marine National Park, Gulf of Kutch

4.Vansda National Park

Rajasthan

1.Sariska National Park

2.Ranthambore National Park

3.Mukundra Hills (Darrah) National Park

4.Desert National Park

5.Keoladeo Ghana National Park

Maharashtra

1.Chandoli National Park

2.Gugamal National Park

3.Navegaon National Park

4.Sanjay Gandhi (Borivilli) National Park

5.Tadoba National Park

6.Pench National Park

Chhattisgarh

1.Indravati National Park

2.Kanger Valley National Park

3.Guru Ghasi Das (Sanjay) National Park

Odisha

1.Nandankanan Zoological Park

2.Bhitarkanika National Park

3. Simlipal National Park

Goa

1.Bhagwan Mahavir (Mollem) National Park

Karnataka

1.Bandipur National Park

2.Bannerghatta National Park

3.Kudremukh National Park

4.Nagarhole (Rajiv Gandhi) National Park

5.Anshi national park

Telangana

1.Kasu Brahmananda Reddy National Park

2.Mahavir Harina Vanasthali National Park

3.Mrugavani National Park

Andhra Pradesh

1.Papikonda National Park

2.Rajiv Gandhi National Park

3.Sri Venkateswara National Park

Tamil Nadu

1.Mudumalai National Park

2.Mukurthi National Park

3.Indira Gandhi (Annamalai) National Park

4.Guindy National Park

5.Gulf of Mannar Marine National Park

6.Palani hills National Park

Kerala

1.Eravikulam National Park

2.Mathikettan Shola National Park

3.Periyar National Park

4.Silent Valley National Park

5.Anamudi Shola National Park

6.Pambadum Shola National Park

Assam

1.Dibru-Saikhowa National Park

2.Kaziranga National Park

3.Manas National Park

4.Nameri National Park

5.Rajiv Gandhi Orang National Park

Arunachal Pradesh

1.Namdapha National Park

2.Mouling National Park

Manipur

1.Keibul Lamjao National Park

2.Sirohi National Park

Meghalaya

1.Balphakram National Park

2.Nokrek National Park

Mizoram

1.Murlen National Park

2.Phawngpui Blue Mountain National Park

Nagaland

1.Intanki National Park

Tripura

1.Bison( Rajbari ) National Park

2.Clouded Leopard National Park

Sikkim

1.Khangchendzonga National Park

Andaman and Nicobar Islands

1.Campbell Bay National Park

2.Galathea Bay National Park

3.Mahatama Gandhi Marine (Wandoor) National Park

4.Mount Harriett National Park

5.Rani Jhansi Marine National Park

6.Saddle Peak National Park

7.North Button Island National Park

8.Middle Button Island National Park

9.South Button Island National Park

Kanha National Park
Madhya Pradesh 

Mughal Empire in India – GK Notes for SSC, WBCS and Govt. Exams

Map showing the empire during Babur, Akbar and Aurangzeb with the, cities and boundaries, where they ruled.

Rulers During The Mughal Empire

Babur (1526-1530)

•Babur was the founder of Mughal dynasty.

•He was a descendant of Timur from his father’s side and Genghis Khan from his mother’s side.

•He defeated Ibrahim Lodi in the First Battle of Panipat (1526) and established the Mughal power in India

•In 1527, he defeated Rana Sanga of Mewar in the Battle of Khanwa near Agra

•In 1529, he defeated Afghans for the second time in the Battle of Ghagra.

•Tuzuk-i-Baburi or Baburnama is the biography of Babur.

The First Battle of Panipat was fought between the invading forces of Babur and the Lodi Empire, which took place on 21 April 1526 in North India. It marked the beginning of the Mughal Empire. This was one of the earliest battles involving gunpowderfirearms and field artillery.

Humayun (1530-1540 & 1555-56)

•After the death of Babur, his son Humayun ascended the throne.

•His first confrontation was with Sher Khan (later known as Sher Shah) at Chunat in 1532.

•Sher Shah defeated him in the Battle of Chausa (1539) as well as in the Battle of Kanauj (1540). After that, he fled from India.

•After Sher Shah’s death, he invaded and defeated the brothers of Sher Shah and once again became the ruler of India.

•Humayunama, his biography, was written by his sister, Gulbadan Begum.

Akbar the Great (1556-1605)

You should know more about Akbar as he is historically and politically more relevant than other rulers in the Mughal dynasty.

•The eldest son of Humayun, Akbar ascended the throne at the age of 14.
His regent Bairam Khan conquered strategic cities and subjugated Malwa and Rajasthan.

Second Battle of Panipat (1556) was fought between Hemu, who was the general of Mohammad Adil Shah and Bairam Khan (mentor of Akbar).

•Hemu was defeated in this battle. The second battle of Panipat marked the real beginning of the Mughal Empire.
Conquest of Non-Rajput state: Malwa, Gondwana, Gujrat, Bihar, Bengal, Orissa etc.

Conquest of Rajput state: Almost all of the Rajput states except the Ranas of Mewar recognized the supremacy of Akbar.

•In 1576, Rana Pratap and the Mughal Army led by Man Singh fought the Battle of Haldighati where Akbar’s army defeated Rana Pratap.

The defeat of Hemu, a c. 1590s painting by Kankar of the Second Battle of Panipat taken from the Akbarnama.

Administrative policies and revenue reforms: Introduction of Mansabdari, Zabti and Dahsal systems.

Religious policies:

Proclaimed a new religion called Din-i-Ilahi which had the essence of different religions like Islam, Hinduism, Christianity etc.
By marrying the Hindu daughters of Rajput, he showed his secular policy and respect toward other religion.
He abolished the pilgrim tax.

Mughal Emperor Akbar the Great (r. 1556–1605) holds a religious assembly in the (House of Worship) in Fatehpur Sikri; the two men dressed in black are the Jesuitmissionaries Rodolfo Acquaviva and Francisco Henriques. Illustration to the Akbarnama, miniature painting by Nar Singh


Navaratna of Akbar:

1.Birbal
2. Abul Fazl
3.Faizi
4.Raja Todar Mal
5.Raja Man Singh
6.Tansen
7.Abdur-Rahim Khan-I-Khana
8.Fakir Aziao-Din
9.Mulla Do-Piyaza


Jahangir (1605- 1627)

•After the death of Akbar, his son Salim (Jahangir) took the throne.

•He was famous for his paintings.

•Furthermore, he also wrote Tuzuk-i-Jahangiri in Persian.

•For the purpose of justice, he established Zangir-i-Adal.

•He sentenced 5th Sikh Guru Arjun Singh to death.

•In his last days, his son Shahjahan revolted against him.

Painting by Ustad Mansur (fl. 1590-1624), who came to prominence during the reign of Jahangir

Shah Jahan (1628- 1658)

•Shah Jahan ascended the throne after the death of Jahangir. Those in neighbouring kingdoms knew him best for his foreign policies.

•Bijapur and Golkonda recognized the Mughal suzerainty during his time.

•In addition to politics, he was also known for his love for art, culture, and architecture.

Tajmahal is one of the UNESCO recognized world heritage sites which was built during his time.

•Also Jama Masjid, Red fort were some of the magnificent structures built by his commission.

•In 1658, his son, Aurangzeb imprisoned him.

•After 8 years of imprisonment, he died in 1666 during his captivity.

Lal Quila
The Lal Quila or Red Fort on the banks of Jamuna, in Delhi, India, circa 1900. The fort was built by the Mughal Emperor Shahjahan between 1638 and 1648. (Photo by Hulton Archive/Getty Images)

Aurangzeb (1658- 1707)

•After capturing his own father and murdering his own three brothers, Aurangzeb took the throne.

•He also executed the 9th Sikh Guru – Guru Teg Bahadur when he refused to convert to Islam.

•He annexed Bijapur and Golkonda.
While he reigned, several rebellions took place. Maratha rebellion under the leadership of Shivaji was one of them.

•After the death of Aurangzeb in 1707, the Mughal empire rapidly declined due to weak successors, wars of succession, Jagirdari crisis, foreign invasion and finally British conquest of India.

ভারতের প্রধান নদনদী সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Important information about India rivers)

WBCS,RAIL,SSC & Others Govt. Exams

সিন্ধু

•মোট দৈর্ঘ্য-2880 কিমি,ভারতে 709কিমি
•উৎপত্তিস্থল-তিব্বতের মানস সরোবরের নিকট সিন কা বাব নামক জলধারা,লাদাখের কাছে দিয়ে ভারতে প্রবেশ
•উপনদী-শতুদ্র,বিপাশা,বিতস্তা,চন্দ্রভাগা,ইরাবতী,চেনাব
•পতিত হয়েছে-আরব সাগর

গঙ্গা(ভারতের দীর্ঘতম)

•মোট দৈর্ঘ্য-2510 কিমি, ভারতে 2017 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-কুমায়ুন হিমালয়ের গঙ্গোত্রি হিমবাহের গোমুখ গুহা
•বামতীরের উপনদী-রামগঙ্গা,গোমতী,ঘর্ঘরা,গন্ডক,কোশী
•ডানতীরের উপনদী-যমুনা ও শোন
•পাশে অবস্থিত-হরিদ্বার;কানপুর,এলাহাবাদ,বারানসী,পাটনা,ভাগলপুর,কলকাতা(হুগলী নদী)
•মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের কাছে ভাগ হয়েছে
•অলকানন্দা ও ভাগিরথী মিলেছে দেবপ্রয়াগে
•পতিত হয়েছে-বঙ্গোপোসাগরে

Ganga’s birthplace – Confluence of Alaknanda & Bhagirathi

ব্রহ্মপুত্র(উৎপত্তিস্থলে সাংপো)

•মোট দৈর্ঘ্য-2580 কিমি(ভারতে 885 কিমি)
•উৎপত্তিস্থল-চেমায়ুং দুম হিমবাহ
•উপনদী-সুবর্ণষিড়ি,মানস,তিস্তা,তোর্সা
•পাশে অবস্থিত-ডিব্রুগড়,তেজপুর,গৌহাটি,
• পৃথিবীর উচ্চতম নদী বা Sky River নামে পরিচিত
•পতিত হয়েছে-যমুনা নাম নিয়ে গঙ্গায়(বাংলাদেশ)


যমুনা

•মোট দৈর্ঘ্য- 1376কিমি
•উৎপত্তিস্থল-যমুনেত্রী হিমবাহ
•উপনদী-চম্বল,কেন,বেতোয়া
•পাশে অবস্থিত-দিল্লী,মথুরা,আগ্রা
•পতিত হয়েছে-এলাহাবাদের কাছে গঙ্গায়
•গঙ্গার দীর্ঘতম উপনদী

চেনাব

•উৎপত্তিস্থল-হিমাচল প্রদেশের কুলু
•পাশে অবস্থিত-সালাল প্রোজেক্ট
•পতিত হয়েছে-সিন্ধু(সিন্ধুর বৃহত্তম উপনদী)

শতুদ্র

•মোট দৈর্ঘ্য – ভারতে 1060 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-তিব্বতের রাকা হ্রদ
•পাশে অবস্থিত-ভাকরা নাঙ্গাল,লুধিয়ানা
•পতিত হয়েছে-সিন্ধু
•শিপকিলা গিরিপথ দিয়ে ভারতে প্রবেশ

ঝিলম/বিতস্তা

•মোট দৈর্ঘ্য-424 কিমি, ভারতে 400 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-পীরপঞ্জালের পাদদেশে ভেরানাগ এ
•পাশে অবস্থিত – শ্রীনগর
•পতিত হয়েছে-সিন্ধু(চেনাব)

বিপাশা

•মোট দৈর্ঘ্য-460 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-কুলু পর্বতের কাছে রোটাং পাস
•পাশে অবস্থিত-মানালী
•পতিত হয়েছে-হারিকের কাছে শতুদ্রতে

The Indus River Delta, as seen from space

ইরাবতী


•মোট দৈর্ঘ্য-725 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-রোটাংপাস
•পতিত হয়েছে-চেনাব(সিন্ধু)

শোন

•উৎপত্তিস্থল-অমরকন্টক
•পতিত হয়েছে-গঙ্গা
•উত্তর বাহিনী

দামোদর

•মোট দৈর্ঘ্য-514 কিমি
উপনদী-বরাকর
•উৎপত্তিস্থল-ঝাড়খন্ডের পালামৌ জেলার ছোটোনাগপুরের মালভূমি
•পতিত হয়েছে-ভাগীরথী
•বাংলার দুঃখ

সূবর্নরেখা


•মোট দৈর্ঘ্য-477 কিমি
•উৎপত্তিস্থল- ছোটোনাগপুর মালভূমি
•পাশে অবস্থিত-জামশেদপুর
•পতিত হয়েছে-বঙ্গোপোসাগর
•হুড্রু জলপ্রপাত(ঝাড়খন্ড) অবস্থিত

লুনী(অন্তর্বাহিনী নদী)

•মোট দৈর্ঘ্য-450 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-আজমীরের নিকট আনাসাগর হ্রদ
•পতিত হয়েছে-কচ্ছের রন

সবরমতী
•মোট দৈর্ঘ্য-416 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-আরাবল্লী
•পাশে অবস্থিত-আমেদাবাদ,গান্ধীনগর
•পতিত হয়েছে-কাম্বে উপসাগর

ব্রাহ্মনী


•মোট দৈর্ঘ্য-705 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-ছুটোনাগপুর মালভূমি
•পাশে অবস্থিত-রাউরকেল্লা
•পতিত হয়েছে-বঙ্গোপোসাগর

মহানদী


•মোট দৈর্ঘ্য-885 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-দন্ডকারন্যের কাছে সিয়াগার পাহাড়
•পাশে অবস্থিত– কটক,হিরাকুদ প্রজেক্ট
•পতিত হয়েছে-বঙ্গোপোসাগর

কৃষ্ণা


•মোট দৈর্ঘ্য-1290 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-পশ্চিমঘাট পর্বতের মহাবালেশ্বর
•উপনদী-সীমা,ভীমা , তুঙ্গাভদ্রা,মুসী,ঘাটপ্রভা,মালপ্রভা,কয়না
•পাশে অবস্থিত-নাগার্জুন সাগর,বিজয়ওয়াড়া
•পতিত হয়েছে-বঙ্গোপোসাগর

কাবেরী(পবিত্র নদী)


•মোট দৈর্ঘ্য-805 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-ব্রহ্মগিরি পর্বত(কর্ণাটক)
•উপনদী-হেরাঙ্গী,হেমবতী,সিমলা,ভবানী
•পাশে অবস্থিত-
মেত্তুর প্রজেক্ট(তামিলনাডু),
শিবসমুদ্রম(কর্নাটক),তিরুচিরাপল্লী,
মাইসোর
•পতিত হয়েছে-বঙ্গোপোসাগর

গোদাবরী(দক্ষিন ভারতের গঙ্গা)

Godavari River India


•মোট দৈর্ঘ্য-1465 কিমি
•উৎপত্তিস্থল- নাসিকের কাছে ত্রিম্বক মালভূমি
•উপনদী-প্রংহিতা,ইন্দ্রাবতী,
•পাশে অবস্থিত-নাসিক
•পতিত হয়েছে-বঙ্গোপোসাগর

নর্মদা(পশ্চিমবাহিনী)

•দৈর্ঘ্য-1310 কিমি
•উৎপত্তি-মহাকালপর্বতের অমরকন্টক(মধ্যপ্রদেশ)
•উপনদী-তাওয়া,হিরণ
•পাশে অবস্থিত–জব্বলপুর,সর্দার সরোবর প্রজেক্ট, ধুয়াধুর জলপ্রপাত
•পতিত হয়েছে-কাম্বে উপসাগর

তাপ্তি(পশ্চিমবাহিনী)

•মোট দৈর্ঘ্য- 724 কিমি
•উৎপত্তিস্থল-মহাদেব পর্বতের মূলতাই শৃঙ্গ
•উপনদী-পূর্ণা,ভোগর,বেতুল
•পাশে অবস্থিত-সুরাট,কাকড়াপাড়া,উকাই(গুজরাট)
•পতিত হয়েছে-কাম্বে উপসাগর

 Map: –Major Rivers of India